মঙ্গলবার - জুলাই ১৬ - ২০১৯ ||
Home / শিক্ষা / ক্যাম্পাস / পরীক্ষায় পাশের জন্য ৩৩ নম্বর আবিষ্কার

পরীক্ষায় পাশের জন্য ৩৩ নম্বর আবিষ্কার

স্বাধীনকথা ডট-কমঃ
আমরা জীবনে কতশত পরিক্ষাই না দিয়ে থাকি।অনেকেই জানিনা যে কিভাবে হলো পাশ নাম্বার ৩৩,কেন বেশি বা কম না। ১৮৫৮ সালে উপমহাদেশে ১ম বারের মত মেট্রিকুলেশন পরীক্ষা চালু করা হয়। কিন্তু পাশ নম্বর কত হবে তা নির্ধারণ নিয়ে বোর্ড কতৃপক্ষ দ্বিধাদ্বন্দে পড়ে যায়, এবং ব্রিটেনে কনসাল্টেশনের জন্য চিঠি লেখা হয়।

তখন ব্রিটেনে স্থানীয় ছাত্রদের জন্য পাশের নম্বর ছিল ৬৫। সে সময় ইংরেজ সমাজে একটা প্রচলিত ধারণা ছিল, “The people of Subcontinent are half as intellectual and efficient as compared to the British” অর্থাৎ “বুদ্ধি ও দক্ষতায় উপমহাদেশের মানুষ কে ইংরেজদের তুলনায় অর্ধেক বলে মনে করা হতো”।

এর-ই ধারাবাহিকতায় মেট্রিকুলেশনের পাশ নম্বর ৬৫ এর অর্ধেক ৩২.৫ নির্ধারণ করা হয়। ১৮৫৮ সাল হতে ১৮৬১ সাল পর্যন্ত পাশ নম্বর ৩২.৫ ই ছিল। ১৮৬২ সালে তা গননার সুবিধার্থে বৃদ্ধি করে ৩৩ করা হয়। সেই থেকে এই ৩৩ নম্বর-ই চলছে। ফেডারেল পাকিস্তানেও ছিল, বাংলাদেশেও তাই চলছে। আমাদের পাশ্ববর্তি দেশ ভারতে I.I.T তে বিষয় ভেদে পাশ নম্বর ৪১ থেকে শুরু করে ৯০ পর্যন্তও হয়ে থাকে। যুক্তরাষ্ট্রে M.I.T তে বিষয় ভেদে ৩৬ থেকে ৪৫ এমন কি বাংলাদেশেও C.A কিম্বা C.M.A- তে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন পাশ নম্বর নির্ধারণ করা হয়ে থাকে।

লক্ষনীয় ব্যাপার হলো এরই ধারাবাহিকতায় প্রায় দুই শতাব্দী পরেও আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থায় ৩৩ নম্বরে উত্তীর্ন হওয়ার ধারাবাহিক ইতিহাস বদলায়নি।

বৃহস্পতিবার, ০৩ ডিসেম্বর,২০১৯খ্রীঃ

About শেখ রিপন, বিশেষ প্রতিনিধি,ঢাকা।

Check Also

সাবেক প্রেসিডেন্ট হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ ইন্তেকাল করেছেন

স্বাধীনকথা ডট কম : বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান, সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান হুসেইন …

গাইবান্ধায় সকল নদীর পানি বিপদসীমার উপর দিয়ে প্রবাহিত: নিম্নাঞ্চল প্লাবিত

কয়েকদিন হলো চলা ভারী ও হালকা বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গাইবান্ধার নদ …

গাইবান্ধায় বন্যা কবলিত মানুষের মাঝে ত্রান বিতরন

গাইবান্ধা সদর উপজেলার পানিবন্দি মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করা হয় । শনিবার দুপুরে কামারজানি ইউনিয়নের …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *