রবিবার - মে ১৯ - ২০১৯ ||
Home / বাংলাদেশ / কুষ্টিয়া / কুষ্টিয়ায় পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ইসিজির নামে রোগীকে ধর্ষণের চেষ্টা : লম্পট আরিফ আটক

কুষ্টিয়ায় পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে ইসিজির নামে রোগীকে ধর্ষণের চেষ্টা : লম্পট আরিফ আটক

রফিকুল ইসলাম : বৃহস্পতিবার ( ২৫শে এপ্রিল) সকালের দিকে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল থেকে একটি রোগীকে কৌশলে ইসিজি করার নাম করে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে আসে দালাল আরিফ। পরবর্তিতে উক্ত দালাল নিজেই ইসিজি করতে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ভেতরে একটি রুমে নিয়ে যায় ভুক্তভোগী মেয়েটিকে। একপর্যায়ে মেয়েটিকে ইসিজি করার কথা বলে স্বামী ও সন্তানদের উক্ত রুম থেকে বের করে দিয়ে মেয়েটিকে ধর্ষণের চেষ্টা করে দালাল আরিফ। পরে মেয়েটির চিৎকারে স্বামী ছুটে গেলে লম্পট আরিফ পালিয়ে যায়।
স্থানীয়রা জানান, হাসপাতালের কিছু ডাক্তার দালালদের পৃষ্ঠপোষক। তাদের ছত্রছায়ায় কিছু দালাল এহেন অপকর্মগুলো নির্বিঘ্নে চালিয়ে যায়। হাসপাতালের বেশকিছু ডাক্তারের প্রাইভেট ক্লিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার থাকার কারণে রোগীরা প্রতিনিয়ত চিকিৎসা সেবা নিতে যেয়ে দালাল চক্রের খপ্পরে পড়ে প্রতারিত হচ্ছে।

দুই সন্তানের জননী ভুক্তভোগী নারী জানান, আজ তিনি বুকে ব্যাথার জন্য হাসপাতালে ডাক্তার দেখাতে এসেছিলেন। হাসপাতালের ডাক্তার দেখিয়ে ফেরার পথে দালাল আরিফের খপ্পরে পড়ি। সে আমাকে ফুঁসলিয়ে ইসিজি করার নাম করে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়ে যায়। সেখান থেকে আমার স্বামী ও সন্তানদের বের করে দেয়। এরপর আমার জামা কাপড় খুলে সারা গায়ে ক্রিম লাগিয়ে স্পর্শ কাতর জায়গাগুলোতে টিপতে থাকে। এরই এক পর্যায়ে আমি চিৎকার দিলে দালাল আরিফ পালিয়ে যায়। আমার স্বামী ঘটনাটি দ্রুত কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশকে জানায়। কুষ্টিয়া মডেল থানা পুলিশের ওসি তদন্ত সঞ্জয় কুমার দ্রুত ঘটনাস্থলে আসে এবং আরিফকে আটক করতে সক্ষম হয় ।

কুষ্টিয়া সদর হাসপাতাল যেন দালালের অভয় আশ্রম। প্রতিনিয়তই রোগীদের ভাগিয়ে নিয়ে বিভিন্ন ক্লিনিকে গিয়ে পরীক্ষার নামে চলছে প্রতারণা।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ওসি তদন্ত সঞ্জয় কুমার জানান, দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ আমাদের কাছে আসলে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে ধর্ষণের চেষ্টাকারী কুষ্টিয়া মডেল থানাধীন রহিমপুর মন্ডল তেল পাম্পের পাশের জাকির হোসেনের ছেলে আরিফুল ইসলামকে আটক করি। তিনি আরও জানান, আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলার প্রস্তুতি চলছে।

About মো: রফিকুল ইসলাম, জেলা প্রধান, কুষ্টিয়া।

Check Also

গাইবান্ধা জেলা জুড়ে বিষাক্ত খাদ্য পণ্য বিক্রি হচ্ছে অবাধে : ভোক্তাধিকার বিপন্ন

নিষিদ্ধ এসব পণ্য সম্পর্কে ক্রেতাদের কোন সচেতনতা না থাকায় অবাধে এসব পণ্য ক্রয় করছেন জেলার …

গাইবান্ধার ভন্ড ফকির রাসেলের প্রতারনার শিকার নিরীহ জনগণ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধা সদর উপজেলা ঘাগোয়া ইউনিয়নের তালতলা গ্রামের ভন্ড ফকির রাসেলের ভন্ডামীর প্রতারনার …

নদীর বুকে ডুবরি টিম দিয়ে সাজনো বিশেষ পূর্ণাঙ্গ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন প্রয়োজন

গাইবান্ধা জেলার সাত উপজেলার মধ্যে চারটি উপজেলা নদ-নদী বেষ্টিত হওয়ায় এসব নদী পারাপারে নৌকা ডুবিদে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *