রবিবার - মে ১৯ - ২০১৯ ||
Home / বাংলাদেশ / কুষ্টিয়া / কুমারখালীর হোগলায় চাপাইগাছি গাজী চম্পাবতী মেলার নামে চলছে টিকিট বিক্রির জুয়ার আসর

কুমারখালীর হোগলায় চাপাইগাছি গাজী চম্পাবতী মেলার নামে চলছে টিকিট বিক্রির জুয়ার আসর

কুষ্টিয়া জেলার কুমারখালী উপজেলার হোগলা গ্রামের চাপাইগাছি গাজী কালু চম্পাবতী বৈশাখী মেলায় চলছে লটারির জুয়া খেলা। কৃষক-শ্রমিক, মুটে-মুজুরসহ খেটে খাওয়া মানুষ পুরষ্কার পাওয়ার আশায় লটারি কিনে নিঃস্ব হয়ে পড়ছে। মহিলারা ডিম-মুরগী বিক্রি  করা ও তাদের জমানো টাকা দিয়ে লটারি কিনে সর্বশান্ত হয়ে পড়ছে। ফলে পারিবারিক কলহ-বিবাদ বেড়েই চলেছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কারোরই নেই কোন মাথাব্যাথা।

প্রতিদিন স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের নিকটে সকাল থেকে পৌছে যায় ফাইভ স্টার লাকী কুপনের গাড়ী। এতে শিক্ষার্থীরা সুযোগ পেলেই লটারি কেনার প্রতি ঝুঁকে পড়ছে। এতে সমাজের সকল শ্রেণী পেশার মানুষ ধ্বংসের দিকে ধাবিত হচ্ছে । শুধু প্রতিষ্ঠানের সামনেই নয় গাড়িতে মাইক লাগিয়ে শহর থেকে গ্রাম-গঞ্জের ভিতরে যেয়ে লটারি বিক্রি করছে। প্রতিদিন রাত দশটার পর থেকে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া বাদ দিয়ে সরাসরি মাঠে চলে যায় এবং আবার অনেকেই  টিভির সামনে যেয়ে বসে লটারি খেলা দেখে ।

২০ টাকায় কারগাড়ি, মোটরসাইকেল, ফ্রিজ, টিভি সহ সর্বমোট বিভিন্ন পুরস্কার জেতার নেশায় মেতে উঠেছে শিশু, নারী ও বৃদ্ধ-বৃদ্ধাসহ সর্বশ্রেণীর সাধারন মানুষ। টিকিট কিনছে দেদারছে যদি লাইগা যায় ২০ টাকায় একটি হান্ড্রেড সিসি মোটর সাইকেল। তাদের  শ্লোগান ২০টাকায় হবে না বাড়ি, হবে না গাড়ি, যদি লাইগা যায়।  এ নেশায় কুষ্টিয়া সহ আশপাশের জেলার মানুষ আজ ধ্বংসের দিকে।

ফাইভ স্টার লাকী কুপন লটারি জুয়া খেলা অতি দ্রুত বন্ধের দাবিতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে সর্বস্তরের সচেতন মহল ও সাধারন জনগণ।

About মো: রফিকুল ইসলাম, জেলা প্রধান, কুষ্টিয়া।

Check Also

গাইবান্ধা জেলা জুড়ে বিষাক্ত খাদ্য পণ্য বিক্রি হচ্ছে অবাধে : ভোক্তাধিকার বিপন্ন

নিষিদ্ধ এসব পণ্য সম্পর্কে ক্রেতাদের কোন সচেতনতা না থাকায় অবাধে এসব পণ্য ক্রয় করছেন জেলার …

গাইবান্ধার ভন্ড ফকির রাসেলের প্রতারনার শিকার নিরীহ জনগণ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি : গাইবান্ধা সদর উপজেলা ঘাগোয়া ইউনিয়নের তালতলা গ্রামের ভন্ড ফকির রাসেলের ভন্ডামীর প্রতারনার …

নদীর বুকে ডুবরি টিম দিয়ে সাজনো বিশেষ পূর্ণাঙ্গ ফায়ার সার্ভিস স্টেশন প্রয়োজন

গাইবান্ধা জেলার সাত উপজেলার মধ্যে চারটি উপজেলা নদ-নদী বেষ্টিত হওয়ায় এসব নদী পারাপারে নৌকা ডুবিদে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *